বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দশটি শহর।।

পৃথিবীর জনসংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।সাথে বাড়ছে নগরায়নের প্রভাব।ফলে কর্মসংস্থানের খোঁজে আর আধুনিক নাগরিক জীবণের সুবিধা পেতে মানুষ দিনদিন শহরমুখী হচ্ছে।ফলে গড়ে উঠছে নতুন নতুন মেগাসিটি।ফলে জনবহুল হচ্ছে শহরগুলো।

বর্তমান বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় ৫৪ শতাংশ মানুষই শহরে বাস করে।ধারণা করা হয় ২০৫০ সালে সেই সংখ্যা হবে প্রায় ৬৬ শতাংশ।

বিশ্বের সবচেয়ে বেশী নগরায়ন ঘটেছে উত্তর আমেরিকা মহাদেশে(৮২%),২য় সর্বোচ্চ লাতিন আমেরিকা আর ক্যারিবিয় অঞ্চলে(৮০%)।সবচেয়ে কম নগরায়নের সংখ্যা আফ্রিকা মহাদেশে(৪০%)।এশিয়াতেও এর সংখ্যা তুলনামূলক কম।(৪৮%)।

তবে ধারণা করা হয়,জনসংখ্যা আর কর্মসংস্থানের চাপ সামলাতে আধুনিক বিশ্বে সবচেয়ে বেশী মেগাসিটি গড়ে উঠবে এশিয়া মহাদেশে।বর্তমানেও বিশ্বে অনেক দেশে জনবহুল শহর গড়ে উঠেছে।চলুন জেনে নেই,বিশ্বের জনবহুল দশটি শহর সম্পর্কে।

টোকিও

১.টোকিওঃ

জাপানের রাজধানী টোকিও বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহর।এর বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ৭৪ লক্ষ।শহরটির আয়তন ২১৯১ বর্গকিমি।

শহরটিকে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ততম শহরও বলা হয়।দিন-রাত টোকিও থাকে কর্মোদ্দীপ্ত।আধুনিক ও ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির মিশেলে চলে এখানকার জীবনব্যবস্থা।এখানে যেমন আকাশচুম্বী ভবন দেখা যাবে,তেমনি ঐতিহাসিক স্থাপনাও দেখা যাবে।শহরটি বর্তমানে গ্লোবাল ইকোনোমিক পাওয়ার সূচকে ১ম গ্লোবাল সিটির সূচকে ৪র্থ।জাপানের প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ টোকিও তে বাস করে।

তবে বর্তমানে শহরটির জনসংখ্যা কমতে শুরু করেছে।ধারণা করা হয় ২০৩০ সালে এর জনসংখ্যা হবে ৩ কোটি ৭০ লক্ষ।এটি বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ শহর হিসেবে পরিচিত,যেখানে অপরাধ প্রবণতা নেই বললেই চলে।

দিল্লী

২.দিল্লীঃ

ভারতের রাজধানী দিল্লী বিশ্বের ২য় জনবহুল শহর।বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ৩ লক্ষ।শহরটির আয়তন ১৪৮৪ বর্গকিমি।ভারতের উত্তর প্রদেশের একটি বৃহদাকার মেট্রোপলিটন এলাকা জুড়ে দিল্লীর অবস্থান।

জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুযায়ী ১৯৯০-২০১৪ সাল পর্যন্ত দিল্লীর জনসংখ্যা বেড়েছে অনেক বেশী।২০১৪ সালের ওয়ার্ল্ড প্রোসপেক্টাস রিপোর্ট অনুযায়ী,২০৫০ সালের মধ্যে ভারত বিশ্বের সর্বোচ্চ জনবহুল দেশ হবে।আর ২০৩০ সাল পর্যন্ত দিল্লীই বিশ্বের ২য় সর্বোচ্চ জনবহুল শহর হিসেবে থাকবে।তখন এর জনসংখ্যা হবে প্রায় ৩ কোটি ৬০ লক্ষ।

শহরটিতে রয়েছে অসংখ্য ঐতিহাসিক স্থাপনা।রয়েছে মুঘল স্থাপত্যের অসংখ্য দালানকোঠা।ইন্ডিয়া গেট,লালকেল্লা,দিল্লী জামে মসজিদ এর মধ্যে অন্যতম।দূষিত বায়ুর শহর হিসেবে দিল্লীর অবস্থান বিশ্বে প্রথম।

সাংহাই

৩.সাংহাইঃ

চীনের বৃহত্তম শহর বিশ্বের ৩য় জনবহুল শহর।বর্তমানে শহরটির জনসংখ্যা প্রায় ২ কোটি ৭১ লক্ষ।আয়তন ৬৩৪১ বর্গকিমি। পূর্বে এটি ছিলো মাছ ধরার গ্রাম।এখানে একটি ছোট বন্দর ছিলো।মূলত ১৮৪২ সালে নানজিং চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটিশদের জন্য বন্দরটি উন্মুক্ত হলে এটি বিশ্বের কাছে পরিচিতি লাভ করে।ক্রমে এটি বিশ্বের বৃহত্তম সমু্দ্রবন্দরে পরিণত হয়।

বৃহৎ প্রশাসনিক,বন্দরনগরী ও ব্যবসাকেন্দ্র হিসেবে বিশ্বে পরিচিতি লাভ করার পর থেকেই এখানকার জনসংখ্যা ক্রমশ বাড়তে থাকে,যা এখনও উর্ধ্বমূখী।

মুক্ত বানিজ্যনীতি,আমদানি-রফতানির সহজলোভ্যতার কারণে বর্তমানে এটি গ্লোবাল ফাইনান্সিয়াল হাব হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।শহরটিতে উন্নত পরিবহনব্যবস্থা ও বানিজ্য সুবিধা থাকায় বিশ্বের ব্যবসায়ীরা ক্রমেই শহরটির দিকে ঝুঁকছে।বর্তমানে শহরটিতে ৮০০ র বেশী আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে,যার মধ্যে ২০০+ প্রতিষ্ঠানই বৈদেশিক অর্থায়নে গড়া।

আরও পড়ুনঃ

আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দশটি দেশ!!

সাও পাওলো

৪.সাও পাওলোঃ

ব্রাজিলের সবচেয়ে জনবহুল শহর সাও পাওলো।এর বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ২ কোটি ২১ লক্ষ।আয়তন ১৫২১ বর্গকিমি।

এটি ব্রাজিলের অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্র।শুধু ব্রাজিলই না,লাতিন আমেরিকার অর্থনীতিতেও শহরটি বিশেষ অবদান রাখে।ব্রাজিলের জিডিপির ১২% এবং দক্ষিণ আমেরিকার জিডিপির প্রায় ১৫% অবদান রাখে শহরটি।এটি ব্রাজিল তথা দক্ষিণ আমেরিকারও বৃহত্তম শহর ও ব্যবসায়িক প্রাণকেন্দ্র।বিংশ শতাব্দীর শুরু থেকেই শহরটি বৃহৎ অর্থনৈতিক শহরে পরিণত হয়।ফলে জনসংখ্যা ক্রমেই বাড়তে থাকে।তৈরি হয় গগণচুম্বী সব অট্টালিকা।

জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা আর প্রযুক্তিতেও শহরটি এগিয়ে রয়েছে।রয়েছে অসংখ্য গবেষণাকেন্দ্র ও বিশ্ববিদ্যালয়।সাও পাওলোকে অভিবাসীদের শহরও বলা হয়।শহরটির বেশীরভাগ জনসংখ্যাই অভিবাসী বা অভিবাসী বংশোদ্ভূত।বিশ্বের সবচেয়ে বেশী বহুসংস্কৃতির মানুষ বাস করে শহরটিতে।এদের অধিকাংশই ইতালি,পর্তুগীজ,জাপানিজ,জার্মান,চাইনিজ,লাতিনসহ অন্যান্য বংশোদ্ভূত।ট্রাফিক জ্যামের জন্যও শহরটি কুখ্যাত।

মেক্সিকো সিটি

৫.মেক্সিকো সিটি

দক্ষিণ আমেরিকার ২য় বৃহত্তম শহরটিতে বাস করে প্রায় ২ কোটি ১৮ লাখ মানুষ।এটির আয়তন ১৪৮৫ বর্গকিমি।দুই আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন শহর এটি।ছিলো অ্যাজেটেক সাম্রাজ্যের রাজধানী।গোছালো শহর মেক্সিকো সিটির গোড়াপত্তন হয় নেটিভ আমেরিকানদের হাতে।

এটিও লাতিন আমেরিকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক হাব হিসেবে পরিচিত।মেক্সিকোর জিডিপির প্রায় ২০% অবদান রাখে শহরটি।মেক্সিকোর মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০% মানুষ বাস করে এখানে।শহরে বসবাসরত নাগরিকের ৬৫% নেটিভ আমেরিকান,৩১% ইউরোপীয়ান,৪% আফ্রিকান ও অন্যান্য।

এর উন্নতমানের যোগাযোগব্যবস্থা শহরটিকে আরও গতিশীল করেছে।এটি ট্যাক্সির শহর হিসেবেও পরিচিত।এছাড়া রয়েছে বাস,মেট্রোরেল,পাতালরেল সুবিধা।এটি বিশ্বের ৮ম ব্যস্ততম মেট্রো সিস্টেম।যোগাযোগ ব্যবস্থার সহজলোভ্যতার কারণে যাত্রীরা অনেক কম খরচে শহরটিতে যাতায়ত করতে পারে।

ঢাকা

৬.ঢাকাঃ

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার বর্তমান জনসংখ্যা ২ কোটি ১০ লক্ষেরও অধিক।এটি এশিয়ার ৩য় জনবহুল শহর,আর বিশ্বের ৬ষ্ঠ।শহরটির আয়তন মাত্র ৩ বর্গকিমি।

ঢাকা বিশ্বের সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ শহর,যার প্রতি বর্গকিমিতে প্রায় ২৩০০০ মানুষ বাস করে।দ্রুততার সাথে বাড়ছে ঢাকার জনসংখ্যা।গড়ে ২০০০ মানুষ প্রতিদিন নগরীতে জীবিকার তাগিদে আসছে।শহরের প্রায় এক-চতুর্থাংশ মানুষই বস্তিবাসী। ১৯৯০ সালে শহরটির জনসংখ্যা ছিলো মাত্র ৯৮ লক্ষের মতো।

টরেন্টো ইউনিভার্সিটির গ্লোবাস সিটিস ইন্সটিটিউশনের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে,২০৫০ সাল নাগাদ ঢাকা বিশ্বের তৃতীয় জনবহুল শহরে পরিণত হবে,যার লোকসংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ৩ কোটি ৫২ লক্ষ।

বাংলাদেশের প্রশাসনিক,সাংস্কৃতিক,রাজনৈতিক,অর্থনৈক কেন্দ্রবিন্দু শহরটি।ঢাকাকে মসজিদের শহর ও রিকশার শহর হিসেবেও অভিহিত করা হয়।তবে যানযট,জলাবদ্ধতায় নাকাল শহরটি।

কায়রো

৭.কায়রোঃ

নীলনদের তীরে অবস্থিত মিশরের রাজধানী কায়রো,যেখানে প্রাচীন আর আধুনিক সভ্যতা পাশাপাশি অবস্থান করে।এর বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ২ কোটি ৯ লক্ষ।আয়তন ৩০৮৫ বর্গকিমি।প্রাচীনকাল থেকেই এ শহরে মানুষের বসবাস রয়েছে।

আফ্রিকার সবচেয়ে প্রাচীন ও বড় এই শহরটির সূচনা হয় প্রস্তর যুগে।জলপথে যোগাযোগব্যবস্থা সহজলোভ্য হওয়ার কারণে শহরটি একটি বানিজ্যিক কেন্দ্রে রুপান্তরিত হয়।তবে এর ব্যপক উন্নয়ন হয় ফারাও রাজা মেনেসের যুগে।

নীল নদের বন্যার কারণে শহরটি প্রতিবছরই কমবেশী ক্ষতিগ্রস্থ হতো।তাই বিংশ শতাব্দীর প্রথমদিকে নদীতে বাঁধ ও সেতু নির্মাণ করা হয়।ফলে শহরটির যোগাযোগ ও ব্যবসা-বানিজ্যের দুয়ার অনেক প্রশস্ত হয়।এসব উন্নতির কারণে ১৯২৭ সালের মাথায় শহরটির জনসংখ্যা বাড়তে বাড়তে প্রায় ১ মিলিয়ন হয়।

১৯৫২ সালে মিশরীয় বিপ্লবের সময়ে কায়রো ও পুরো মিশরে ঔপনিবেশীক শক্তির পতন ঘটে।ফলে অন্যান্য অঞ্চলের মিশরীয়রাও কায়রো আসতে শুরু করে।ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ সামলাতে কায়রো আরও বড় করে তোলা হয়।মিশরের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০% মানুষ কায়রোতে বাস করে।

বিশ্বের সপ্তমাশ্চার্যের একটি গিজা পিরামিড আর বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় এই শহরটিতেই অবস্থিত।

বেইজিং

৮.বেইজিংঃ

পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন একটি শহর বেইজিং,যার অস্তিত্ব ৩০০০ বছর পূর্বেও ছিলো।শহরটি পূর্বে পিকিং নামে পরিচিত ছিলো।শহরটির বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ২ কোটি ৫ লক্ষ।আয়তন ৪৫৬৭ বর্গকিমি।

বর্তমান বিশ্বের অন্যতম একটি আধুনিক ও ঝকঝকে শহর বেইজিং।একসময় একে বাইসাইকেলের শহরও বলা হতো।শহরটিতে যেমন রয়েছে আকাশচুম্বী স্থাপনা,তেমনি রয়েছে নানা ঐতিহাসিক স্থাপনাও।

বেইজিংয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত ৭ টি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট রয়েছে।এগুলো হলোঃ চীনের মহাপ্রাচীর,নিষিদ্ধ শহর,সামার প্যালেস,স্বর্ণমন্দির,মিং সমাধিসৌধ,গ্রান্ডখাল,ঝুক্কৌডিয়ানের পিকিংম্যান সাইট।শহরটি চীনের প্রধান সাংষ্কৃতিক কেন্দ্র,যা ৬ বারের জন্য রাজধানীর মর্যাদা পায়।

শহরটি চীনসহ বিশ্বের অন্যতম একটি বানিজ্যকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।যার কারণে এর জনসংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।বিশ্বের সবচেয়ে বেশী বিলিওনিয়র এই শহরটিতেই বাস করে।বেইজিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিশ্বের ২য় ব্যস্ততম বিমানবন্দর।বানিজ্যের সুবিধার্থে শহরটিতে রয়েছে ১৪৪ ঘন্টা ভিসামুক্ত ট্রানসিট,যার ফলে বিশ্বের ৫৩ টি দেশের নাগরিক ভিসা ছাড়াই ৬ দিন শহরটিতে অবস্থান করতে পারে।

আরও পড়ুনঃ

আয়তনে বাংলাদেশের বড় দশটি জেলা।।

মুম্বাই

৯.মুম্বাইঃ

ভারতের বিনোদন ও আনন্দ-আয়োজনের শহর মুম্বাই।শহরটির বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ২ কোটি ৪ লক্ষ।শহরটির আয়তন ৬০৩ বর্গকিমি।

একে ফিল্মস্টারদের শহরও বলা হয়।চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য বিখ্যাত বলিউড এখানেই ।এই শহরের বান্দ্রা এলাকায় সব ফিল্মস্টারদের বাস।অনেক স্বনামধন্য ক্রিকেট স্টাররাও বাস করে।

মুম্বাইকে ভারতের অর্থনৈতিক রাজধানীও বলা হয়।ভারতের প্রধান সমুদ্রবন্দর এটি।প্রতিনিয়ত এখানে কর্মসংসংস্থানের সন্ধানে মানুষ এসে ভীড় করছে।দেশের সামগ্রিক জিডিপির ৫% আসে এই শহর থেকেই।এছাড়া,দেশের মোট শ্রমিকের ১০% এখানে কাজ করে,মোট শিল্পোৎপাদনের ২৫% এবং দেশের মোট আয়করের ৩৩% আসে শহরটি থেকে।মুম্বাইয়ের মাথাপিছু আয় ভারতের মোট মাথাপিছু আয়ের ৩ গুণ।তবে শহরটির ৪১% অধিবাসীই বস্তিবাসী।

বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ততম রেলস্টেশন মুম্বাই।প্রতিদিন প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষ ট্রেনে যাতায়ত করে।

ওসাকা

১০.ওসাকাঃ

জাপানের ২য় জনবহুল ও বৃহত্তম নগরী ওসাকা।শহরটির জনসংখ্যা প্রায় ১কোটি ৯২ লক্ষ।আয়তন ২২৩ বর্গকিমি।শহরটি হনশু দ্বীপে অবস্থিত।

এটি জাপানের প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হয়।ওসাকা জাপানের বৃহত্তম শিল্পায়ন ও ব্যবসা-বানিজ্যের কেন্দ্র।দ্রুত শিল্পায়ন ও নগরায়নের কারণে শহরটির জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছিলো।বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে ওসাকাতে ব্যপক অভিবাসন ঘটে।১৯৩০ সালে শহরটি জাপানের সবচেয়ে জনবহুল নগরীতে পরিণত হয়।এসময় টোকিও র চেয়ে বেশী লোক বাস করতো এখানে।কিন্তু ২য় বিশ্বযুদ্ধের পর অনেক অধিবাসীই শহর ছেড়ে বাইরে বসবাস করতে শুরু করে।বর্তমানেও শহরটির জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে।

ওসাকা বসবাসের জন্য জাপানের একটি নিরাপদ শহর।এখানে অপরাধপ্রবণতা প্রায় শূন্যের কোঠায়।এজন্য দিনরাত কর্মচাঞ্চল্যে পরিণত থাকে নগরীটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back To Top